1. bd439364@gmail.com : BD FARIDPUR 24 : BD FARIDPUR 24
সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৫৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
***পরীক্ষামূলক সম্প্রচার***
প্রধান খবর
করোনায় কারণে যে সংকট সৃষ্টি হয়েছে, একসাথে মোকাবেলা করতে হবে -শেখ হাসিনা। BOBPL সভাপতি আলহাজ্ব শেখ মোঃ ফজলুল হক করোনা থেকে নিজে বাচুন অন্যকে বাচাতে এগিয়ে আসুন। রাসুলুল্লাহ সাঃ,র জীবনি নিয়ে সংক্ষিপ্ত কিছু প্রশ্ন উত্তর। পবিত্র আশুরা সংক্ষিপ্ত বিবরণ আলহাজ্ব শেখ মোঃ ফজলুল হক,। বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। ১৯২০-১৯৭৫-১৫ আগষ্ট পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু,র কৃতিত্ব। বঙ্গবন্ধুর জুলিও কুরি পুরস্কার বঙ্গবন্ধু ঘোষিত বাঙালীর মুক্তির সনদ-৬ দফা ভাষা আন্দোলন বঙ্গবন্ধু। ২১-ফেব্রুয়ারী ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ ভুমিকা। টুঙ্গিপাড়ার মুজিব কি ভাবে বঙ্গবন্ধু এবং জাতির পিতা হলেন জানুন- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পনায় শতভাগ বিদ্যুৎ।

২৩ মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তলন দিবস।

  • Update Time : সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২০
  • ২৭৬ বার পড়া হয়েছে

সেদিন ছিল ২৩ মার্চ ১৯৭১।

দুদিন পরই এসেছিল কৃষ্ণপক্ষের সেই ভয়ানক অমানিশি। মৃত্যুবিভীষিকার ভয়াল রাত। ঠিক সন্ধ্যা ৬টায় সেনা সদরে কর্মরত বাঙালী সৈনিকদের অস্ত্রচ্যুত করে নজরবন্দী করা হলো। ১২:০১ মিনিটে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করলেন বঙ্গবন্ধু। গ্রেফতার হলেন। রাজারবাগ পুলিশ সদর দফতর কামানের গোলায় তছনছ হলো। বাঙালী পুলিশের কাছ থেকে সব অস্ত্র ছিনিয়ে নেয়া হলো। নির্বিচারে গুলি চালিয়ে বিপুলসংখ্যক বাঙালীকে হত্যা করা হলো। পিলখানা ইপিআর সদর দফতর থেকে সশস্ত্র হামলার মুখে বাঙালী জোয়ান ও অফিসাররা উৎখাত হলেন অনেকে নিহত হলেন। ১০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বেতার ট্রান্সমিটারটি উৎপাটিত হলো। বলধা গার্ডেন থেকে ৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার বেতার ট্রান্সমিটার উঠিয়ে আনার সময় কিউরেটরকে হত্যা করল হানাদাররা। তবুও খালি হাতে নিরস্ত্র বাঙালী প্রতিরোধ যুদ্ধে মগ্ন হলো কোন্ মন্ত্র বলে? তোপদেগে ইকবাল হল ও জগন্নাথ হলে ছাত্রদের গড়া প্রতিরোধ দুর্গ গুঁড়িয়ে দিল হানাদাররা। শত শত লড়াকু ছাত্র নিহত হলো। বাঙালী সেনা সদস্যদের সশস্ত্র বিপ্লবের রূপকার ও আগরতলা মামলার দ্বিতীয় প্রধান অভিযুক্ত নৌবাহিনীর কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন ধরা পড়ে নিহত হলেন ভোরের আগেই। ভোর হতেই পলাশী মোড়ে ১০০ ফায়ারম্যানকে ফায়ারিং স্কোয়াডে দাঁড় করিয়ে ব্রাশফায়ার করা হলো। এসব ঘটনার মধ্যে অনেক অজানা ইতিহাস লুকিয়ে আছে। কিন্তু রাত ১২টা ১ মিনিটে যা যা হতে পারেনি জাতির জনকের খুব কাছের কোন মানুষের সম্ভাব্য বিশ্বাসঘাতকতায় সেগুলো ছিল আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। চট্টগ্রামে অপারেশন সূর্যসেন ক্লিক করেনি ‘পঞ্চম বাহিনীর’ তৎপরতায়। কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ‘৫ম বাহিনীর’ একজন দৃশ্যমান মুখ্য নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের পরিবর্তে নিজেকে রাষ্ট্রপ্রধান ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ঘোষণা দিয়ে অশুভ শক্তির অস্তিত্বের জানান দেন। সেই মোনাফেক একদিন পর মুক্তিযোদ্ধাদের চাপের মুখে পড়ে বঙ্গবন্ধুকে সুপ্রীম কমান্ডার ও প্রেসিডেন্ট মেনে জাতির জনকের দেয়া স্বাধীনতার ঘোষণাটি হুবহু পাঠ করে। ১৯৩৬ সালে স্পেনে গৃহযুদ্ধ চলাকালে জাতীয়তাবাদী জেনারেল এমিলিও মোলা সর্বপ্রথম ‘শত্রুর চর’ অর্থে ‘ফিফথ কলাম’ শব্দটি ব্যবহার করেন। স্মরণযোগ্য যে, জেনারেল এমিলিও মোলা বলেছিলেন, ‘সেনাবাহিনীর ৪টি বিশ্বস্ত ও অনুগত কলাম রয়েছে তাঁর নিয়ন্ত্রণে আর বোমা বিক্ষত মাদ্রিদ নগরীতে ঘাপটি মেরে আছে তাদের গোপন সহযোগী পঞ্চম বাহিনী। আর্নেস্ট হেমিংওয়ে মাদ্রিদ যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ‘দি ফিফথ কলাম এ্যান্ড দি ফার্সট ফোরটি নাইন স্টোরিজ-ঞঐঊ ঋওঋঞঐ ঈঙখটগঘ অঘউ ঞঐঊ ঋওজঝঞ ৪৯ ঝঞঙজওঊঝ’ শিরোনামে তাঁর প্রথম নাটকটি লেখেন। সেই ফিফ্থ কলামের গোপন তৎপরতায় কুমিল্লা ময়মনসিং ও বগুড়ার কর্মসূচী ব্যর্থ হয়। কিন্তু ‘ষষ্ঠ বাহিনী’ বৃহত্তর যশোরের মাগুরা, ঝিনাইদহ, নড়াইল ও সদর মহাকুমা থেকে লাঠি, বন্দুক, লগি-বৈঠা, ঢাল-সড়কি বল্লম ও তীরধনুক দা কুড়াল সজ্জিত লাখো মানুষ ‘যার যা আছে তাই নিয়ে’ সেনানিবাস ঘেরাও করেছিল জাতির জনকের নির্দেশে। যশোর ক্যান্টনমেন্টের সেই গণ অবরোধ ভাঙতে তিন দিন লেগেছিল আবদ্ধ পাকিসেনাদের। বিমানবাহিনীর স্যাবর জেট না উড়লে যশোর শত্রুমুক্ত থাকত আরও কতদিন সেটা অনুমান করা বেশ কঠিন। ঠিক অমনটাই ঘটার কথা ছিল ঢাকা সেনানিবাস ঘিরে। তার জন্যই পুলিশ ইপিআর ছাত্র-শ্রমিক-জনতা প্রস্তুত ছিল। প্রস্তুত ছিল বছিলা, গাবতলী ও কামরাঙ্গীর চরের কয়েক লাখ কৃষক জনতা! এই গোপন পরিকল্পনার কথা জানতেন বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠতম আওয়ামী লীগের ৩ জন মাত্র শীর্ষ নেতা। তাঁদের ২ জন ‘যুদ্ধ পরিকল্পনা-২’ কার্যকর করেছিলেন ভারতে গিয়ে। ‘তৃতীয় ব্যক্তি’ বঙ্গবন্ধুর নির্দেশ লঙ্ঘন করলেন। আত্মগোপনে গেলেন না। ভারতেও গেলেন না। দেশ শত্রুমুক্ত হওয়ার পর ‘শ্বশুরবাড়ি’ থেকে ঢাকায় ফিরলেন। তাঁকেও বঙ্গবন্ধু ক্ষমার চাদরে ঢেকে রেখেছিলেন। এখন গল্প মনে হলেও ইতিহাস নিশ্চই একদিন সত্যের স্বরূপ প্রকাশ করবে। কথিত আছে, ভারতের সন্ত্রাসবাদী আন্দোলনের কারারুদ্ধ তিন শীর্ষ নেতার মধ্যে একজন ছিলেন ব্রিটিশ চর।

গোপন সূত্রে বাঙালীর মরণ কামড়ের পরিকল্পনা জানতে পেরে ২৫ মার্চ দুপুরে মদমত্ত ইয়াহিয়া তড়িঘড়ি শীর্ষ জেনারেলদের জরুরীসভা ডেকে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ অনুমোদন করেন। চটজলদি গবর্নর ও জিওসি পরিবর্তন করা হয়। বেলুচিস্তানের কসাই টিক্কা খান ও কট্টর জেনারেল নিয়াজি গণহত্যার দায়িত্ব পান। বিকেল ৫টায় পিআইএর একটি বিশেষ বিমান তেজগাঁ অনির্ধারিতভাবে বন্দরে অবতরণ করে।

ভাল লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর
© All rights reserved 2020 bobplonlinenews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD