1. bd439364@gmail.com : BD FARIDPUR 24 : BD FARIDPUR 24
বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৩২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
***পরীক্ষামূলক সম্প্রচার***
প্রধান খবর
করোনায় কারণে যে সংকট সৃষ্টি হয়েছে, একসাথে মোকাবেলা করতে হবে -শেখ হাসিনা। BOBPL সভাপতি আলহাজ্ব শেখ মোঃ ফজলুল হক করোনা থেকে নিজে বাচুন অন্যকে বাচাতে এগিয়ে আসুন। রাসুলুল্লাহ সাঃ,র জীবনি নিয়ে সংক্ষিপ্ত কিছু প্রশ্ন উত্তর। পবিত্র আশুরা সংক্ষিপ্ত বিবরণ আলহাজ্ব শেখ মোঃ ফজলুল হক,। বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। ১৯২০-১৯৭৫-১৫ আগষ্ট পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু,র কৃতিত্ব। বঙ্গবন্ধুর জুলিও কুরি পুরস্কার বঙ্গবন্ধু ঘোষিত বাঙালীর মুক্তির সনদ-৬ দফা ভাষা আন্দোলন বঙ্গবন্ধু। ২১-ফেব্রুয়ারী ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ ভুমিকা। টুঙ্গিপাড়ার মুজিব কি ভাবে বঙ্গবন্ধু এবং জাতির পিতা হলেন জানুন- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পনায় শতভাগ বিদ্যুৎ।

করোনা সেবা করতে গিয়ে ডাঃ নার্স মারা গেলে ২৫-৫০ লক্ষ টাকার স্বাস্থ্যবীমা দেওয়ার ঘোষণা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

  • Update Time : মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২০
  • ৫১৮ বার পড়া হয়েছে

আজ গনভবন থেকে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের জেলার কর্মকর্তাদের সাথে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেন প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা, তিনি বলেন চিকিৎসা সেবা দিতে গিয়ে যদি কেউ করোনা ভাইরাস কোভিড-১৯ সংক্রমণ কেউ আক্রান্ত হলে পদমর্যাাদা অনুযায়ী ৫/১০ লাখ টাকা এবং মারা গেলে ২৫/৫০ লাখ টাকার স্বাস্থ্যবিমা দেওয়া হবে।

একই সঙ্গে চিকিৎসক নার্স স্বাস্থ্যকর্মীসহ মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য প্রত্যক্ষভাবে নিয়োজিত, এছড়া বাংলাদেশের অন্যান্য সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য একটি বিশেষ ইন্সুরেন্স সুবিধা দেওয়ার ঘোষণাও দেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

মঙ্গলবার ৭ এপ্রিল সকালে গণভবন থেকে সরাসরি সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাসমুহের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলা সরকারের করনীয় আলোচনাশ এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি আর বলেন দায়িত্ব পালনকালে কেউ যদি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয় সে ক্ষেত্রে তার চিকিৎসার জন্য সরকসর সব ধরনের ব্যবস্থা নেবে। এবং তাদের জন্য একটা স্বাস্থ্যবীমার ব্যবস্থা আমরা করে দিব। আক্রান্ত কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য পদমর্যাযদা অনুযায়ী ৫ থেকে ১০ লক্ষ টাকার একটা স্বাস্থ্যবিমা করে দিব। আর আল্লাহ্ না করুন কেউ যদি মৃত্যুবরণ করেন তাদের জন্য এই বীমাটা আর পাঁচ গুণ বাড়িয়ে দিব আমরা।

শেখ হাসিনা বলেন এ দুঃসময়ে যারা দায়িত্ব পালন করবে না তাদের দরকার নেই, মনে রাখতে হবে প্রজাতন্ত্রের মানুষের টাকায় আমরা বেতন ভাতা পাই, তাই এ সংকটকালীন সময় যদি জনগণের পাশে দারাতে সংকোচবোধ করি, তাহলে আপনার চাকরির দরকার নেই।

করোনা রোগ চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসকদের পুরস্কৃত করা হবে বলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষনা দেন। তিনি বলেন, যেসব চিকিৎসক স্বাস্থ্যকর্মী মানুষকে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন তাদের শুধু মুখে ধন্যবাদ নয় তাদের পুরস্কৃত করতে চাই। যারা সাহসী স্বাস্থ্যকর্মী তাদের উৎসাহ দেওয়া আমাদের কর্তব্য। তাদেরকে আলাদা একটা সম্মানি দিব সেজন্য ইতোমধ্যে তালিকা করার নির্দেশ দিয়েছি। তালিকা তৈরির কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।

যেসব চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিজেদের সুরক্ষার জন্য পালিয়ে আছে তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মনে রাখতে হবে এটা তাদের জন্যই করবো যারা এই করোনা ভাইরাস শুরু হওয়ার পর থেকে কাজ করেছেন। জানুয়ারি থেকে করোনা ভাইরাস শুরু, মার্চ থেকে এটা ব্যাপকভাবে দেখা দেয় এই মার্চ মাসে যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছেন এই বীমাটা তাদের জন্য। যারা কাজ করেননি, নিজেদের সুরক্ষার জন্য পালিয়ে আছেন, যেখানে দ্বারে দ্বারে ঘুরে চিকিৎসা পাননি, অন্য সাধারণ রোগীরাও চিকিৎসা পাননি তারস এই প্রণোদনা পাবেন না।

কাউকে শর্ত দিয়ে চিকিৎসাসেবায় আনা হবে না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কেউ যদি আমাদের শর্ত দেয় তাহলে আমরা তাকে আনবো না। আমি বলবো, আগামীতে কিভাবে কাজ করেন আমরা পর্যবেক্ষণ করবো। সেখানে দেখবো যদি কেউ সত্যিকারে মানুষকে সেবা দেন তাহলে তাদের কথা আমরা চিন্তা করবো। কিন্তু শর্ত দিয়ে আমি কাউকে কাজে আনবো না।’ ‘যাদের মধ্যে এই মানবতা বোধটুকু নেই। তাদের প্রণোদনা নিয়ে আসার কোনো যৌক্তিকতা আছে বলে আমি মনে করি না।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘যদি বাংলাদেশে সে ধরনের দুযোর্গ আসে প্রয়োজনে বাইরে থেকে আমরা চিকিৎসক নিয়ে আসবো। বাইরে থেকে নার্স নিয়ে আসবো। এই ধরনের দূর্বল মানসিকতা দিয়ে আমাদের কাজ হবে না। এটা হলো বাস্তবতা।’

যারা রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছেন না তারা ভবিষ্যতে ডাক্তারি করতে পারবে কি, তাদের চাকরি থাকবে কি-না তা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করা হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একজন রোগী এলে চিকিৎসা করাবে তার জন্য নিজেকে সুরক্ষিত করা যায়। এপ্রোন পরে নেন মুখে মাস্ক লাগান, গ্লাভস নেন, স্যানিটাইজার ব্যবহার করেন, হাত ধুয়ে রোগী দেখেন। রোগী কেন ফেরত যাবে। আর একজন রোগী নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করে সে রোগী কেন মারা যাবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র কেন মারা যাবে। এই রোগী কোনো কোনো জায়গা গিয়েছে সেখানে কোনো কোনো চিকিৎসকের দায়িত্ব ছিল আমি তাদের নামটাও জানতে চাই। কারণ ডাক্তারি করার মতো, চাকরি করবার মতো তাদের সক্ষমতা নেই। তাদের চাকরি থেকে বের করে দেওয়া উচিত। আমি মনে করি।’

‘বরং ভবিষ্যতে তারা ডাক্তারি করতে পারবে কি-না সেটাই চিন্তা করতে হবে। ডাক্তার আমাদের প্রয়োজন আছে এটা নিয়ে আমাদের কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু এই মানসিকতা থাকবে কেন, মানবতা বোধ হারাবে কেন।’

চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষায় সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জানি এটা আতঙ্ক। সবাই সুরক্ষিত থাকবেন এটা সত্য। কিন্তু একজন চিকিৎসক তার একটা দায়িত্ব থাকে। তাদের সুরক্ষিত করার জন্য যা যা করা দরকার আমরা তা করে যাচ্ছি। আমরা আরও করবো, সেক্ষেত্রে আমরা কোনো কার্পণ্য করছি।

ভাল লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর
© All rights reserved 2020 bobplonlinenews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD