1. bd439364@gmail.com : BD FARIDPUR 24 : BD FARIDPUR 24
বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৪৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
***পরীক্ষামূলক সম্প্রচার***
প্রধান খবর
করোনায় কারণে যে সংকট সৃষ্টি হয়েছে, একসাথে মোকাবেলা করতে হবে -শেখ হাসিনা। BOBPL সভাপতি আলহাজ্ব শেখ মোঃ ফজলুল হক করোনা থেকে নিজে বাচুন অন্যকে বাচাতে এগিয়ে আসুন। রাসুলুল্লাহ সাঃ,র জীবনি নিয়ে সংক্ষিপ্ত কিছু প্রশ্ন উত্তর। পবিত্র আশুরা সংক্ষিপ্ত বিবরণ আলহাজ্ব শেখ মোঃ ফজলুল হক,। বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। ১৯২০-১৯৭৫-১৫ আগষ্ট পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু,র কৃতিত্ব। বঙ্গবন্ধুর জুলিও কুরি পুরস্কার বঙ্গবন্ধু ঘোষিত বাঙালীর মুক্তির সনদ-৬ দফা ভাষা আন্দোলন বঙ্গবন্ধু। ২১-ফেব্রুয়ারী ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ ভুমিকা। টুঙ্গিপাড়ার মুজিব কি ভাবে বঙ্গবন্ধু এবং জাতির পিতা হলেন জানুন- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পনায় শতভাগ বিদ্যুৎ।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু স্বপরিবারে ঘাতক খুনি মাজেদের ফাঁসিি কার্যকরের মধ্যেদিয়ে জাতি আর একটা কলংক মুক্ত হল।

  • Update Time : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২০
  • ২৪৬ বার পড়া হয়েছে

আজ ১১ এপ্রিল ২০২০ কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে রাত ১২টা ১ মিনিটে এই খুনির ফাঁসি কার্যকর হয় বলে কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোস্তফা কামাল পাশা সারাবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ফাঁসি কার্যকর উপলক্ষে শনিবার প্রস্তুতি শেষ করে কারা কর্তৃপক্ষ। এদিন জল্লাদ শাহজানের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের টিমকে তাদের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়। ফাঁসি কার্যকরের জন্য একাধিকবার ট্রায়াল দেওয়া হয় ফাঁসির মঞ্চে।

বিজ্ঞাপন

কেরানীগঞ্জে স্থাপিত নতুন কেন্দ্রীয় কারাগারে এটিই প্রথম কোনো দণ্ডপ্রাপ্তের ফাঁসি কার্যকর হলো। এর ফলে কেন্দ্রীয় কারাগার কুখ্যাত এই খুনির ফাঁসি কার্যকরের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকল।

এদিকে মাজেদের সঙ্গে পরিবারের ৫ সদস্যের একটি দল শুক্রবার (১০ এপ্রিল) কেন্দ্রীয় কারাগারে দেখা করেন। এ সময় তারা মাজেদের সঙ্গে প্রায় ঘণ্টা দেড়েক কথা বলেন। সাক্ষাৎকারীদের মধ্যে মাজেদের স্ত্রী সালেহা, স্ত্রীর বোন ও বোন জামাই, ভাতিজা ও একজন চাচাশশুর ছিলেন।

দীর্ঘদিন ভারতে পালিয়ে থাকা খুনি মাজেদকে গত মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) ভোরে রাজধানীর মিরপুর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। এরপর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

খুনি মাজেদ ধরা পড়ার পর থেকেই তার ফাঁসি কার্যকরে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করে রাষ্ট্রপক্ষ। আপিলের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় আপিল করার সুযোগ পাননি দণ্ডপ্রাপ্ত এই আসামি। তবে রাষ্ট্রপতির কাছে দোষ স্বীকার করে প্রাণভিক্ষার আবেদন করলেও তা নাকচ হয়ে যায়। এরপর মাজেদের ফাঁসি কার্যকর করতে আইনগত আর কোনো বাধা থাকেনি।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচার প্রক্রিয়া শুরু করে। তার আগে এই বিচারপ্রক্রিয়া স্থগিত ছিল। ২০০১ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় ঘোষণা করা হয়। ২০০৯ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ থেকে চূড়ান্ত রায় আসে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার চার বছরের মধ্যে ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতার স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে একদল সেনা সদস্য। এরপর সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের আমলে এই হত্যাকাণ্ডের বিচারের পথ রুদ্ধ করে দেওয়া হয়। উপরন্তু খুনিরা রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে থাকেন।

১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর ঢাকার তখনকার জেলা ও দায়রা জজ কাজী গোলাম রসুল এ মামলার রায়ে আবদুল মাজেদসহ ১৫ জন সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। ২০০১ সালের ৩০ এপ্রিল হাই কোর্টের রায়ে ১২ আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল থাকে। এরপর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ২০০৯ সালের ১৯ নভেম্বর চূড়ান্ত রায়ে হাই কোর্টের সিদ্ধান্ত বহাল রাখলে পাঁচ আসামি রিভিউ আবেদন করেন। তা খারিজ হয়ে যাওয়ার পর ২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি ফাঁসিতে ঝুলিয়ে আসামি সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশীদ খান, মহিউদ্দিন আহমদ (ল্যান্সার), এ কে বজলুল হুদা ও এ কে এম মহিউদ্দিনের (আর্টিলারি) মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকর করা হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে আবদুল মাজেদ ছাড়াও খন্দকার আবদুর রশিদ, এ এম রাশেদ চৌধুরী, শরিফুল হক ডালিম, এসএইচএমবি নূর চৌধুরী, আবদুল মাজেদ ও রিসালদার মোসলেম উদ্দিন খান পলাতক ছিলেন।

কলকাতায় ছিলেন খুনি মাজেদ : গত ২২-২৩ বছর ধরে ভারতে ছিলেন খুনি মাজেদ। সেখান থেকে চলতি বছর মার্চের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশে আসেন। এরপর থেকে তিনি ঢাকায় অবস্থান করছিলেন।

পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট জানায়, ভারতের কলকাতায় আবদুল মাজেদ নিজেকে আবদুল মজিদ পরিচয় দিয়ে আত্মগোপনে ছিলেন। নব্বই দশকের মাঝামাঝি সময়ে মাজেদ প্রথমে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পালিয়ে যান। ভারত থেকে পালিয়ে প্রথমে যান লিবিয়ায়। সেখান থেকে যান পাকিস্তানে। লিবিয়া ও পাকিস্তানে সুবিধা করতে না পেরে আবারও ভারতে ফিরে যান। বিভিন্ন রাজ্যে অবস্থান করার পর ৩-৪ বছর ধরে কলকাতায় অবস্থান করছিলেন তিনি। সেখানে মাজেদ তেমন কিছু করতেন না। তবে বাংলাদেশে থাকা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত যোগযোগ ছিল তার। করোনাভাইরাস আতঙ্কে ময়মনসিংহের সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরে আসেন তিনি। দেশে ফেরার পর মিরপুর ডিওএইচএসের এক নম্বর সড়কের ১০/এ বাসায় ওঠেন।

বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা ও বিচার : ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবার নির্মমভাবে হত্যা করে একদল বিপথগামী সেনা সদস্য। ওই সময় বিদেশে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান কেবল বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। নারকীয় এই হত্যাকাণ্ডের বিচারে পদে পদে বাধা আসে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরপরই দায়মুক্তি (ইনডেমনিটি) অধ্যাদেশ জারি করা হয়। ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালের ১২ নভেম্বর দায়মুক্তি আইন বাতিল করে আওয়ামী লীগ সরকার।

ওই বছরের ২ অক্টোবর ধানমণ্ডি থানায় বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত সহকারী মহিতুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি করেন। ১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর তৎকালীন ঢাকার দায়রা জজ কাজী গোলাম রসুল ১৫ জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়ে রায় দেন। নিম্ন আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের আপিল ও মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিতকরণের শুনানি শেষে ২০০০ সালের ১৪ ডিসেম্বর হাইকোর্ট দ্বিধাবিভক্ত রায় দেন।

২০০১ সালের ৩০ এপ্রিল হাইকোর্টের তৃতীয় বেঞ্চ ১২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে তিনজনকে খালাস দেন। এরপর ১২ আসামির মধ্যে প্রথমে চারজন ও পরে এক আসামি আপিল করে। কিন্তু দীর্ঘদিনেও আপিল শুনানি না হওয়ায় বিচার প্রক্রিয়া আটকে যায়। দীর্ঘ ছয়বছর পর বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় আপিল বিভাগে একজন বিচারপতি নিয়োগ দেওয়ার পর বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলাটি ফের গতি পায়।

২০০৭ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. তাফাজ্জাল ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামির লিভ টু আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন। আপিলের অনুমতির প্রায় দুই বছর পর ২০০৯ সালের অক্টোবরে শুনানি শুরু হয়। ২০০৯ সালের ১৯ নভেম্বর সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ পাঁচ আসামির আপিল খারিজ করেন। ফলে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের নৃশংসভাবে হত্যার দায়ে হাইকোর্টের দেওয়া ১২ আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল থাকে। এভাবে ১৩ বছর ধরে চলা এই মামলার বিচার প্রক্রিয়া শেষ হলে দায়মুক্ত হয় বাংলাদেশ।

ফাঁসি কার্যকর হয়েছে যাদের : ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি দিবাগত রাতে সৈয়দ ফারুক রহমান, বজলুল হুদা, এ কে এম মহিউদ্দিন আহমেদ, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান ও মুহিউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। আর ওই রায় কার্যকরের আগেই ২০০২ সালে পলাতক অবস্থায় জিম্বাবুয়েতে মারা যায় আসামি আজিজ পাশা।

এখনও পলাতক যারা : মাজেদ গ্রেফতার হওয়ার পর এখন বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ খুনি পলাতক । তারা হল- খন্দকার আবদুর রশীদ, শরিফুল হক ডালিম, মোসলেম উদ্দিন, এসএইচএমবি নূর চৌধুরী ও এএম রাশেদ চৌধুরী। এরা সবাই সাবেক সেনা কর্মকর্তা। এই পাঁচ খুনি বিভিন্ন দেশে পলাতক অবস্থায় আছে। তাদের ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার।

ভাল লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর
© All rights reserved 2020 bobplonlinenews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD