1. bd439364@gmail.com : BD FARIDPUR 24 : BD FARIDPUR 24
বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:১১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
***পরীক্ষামূলক সম্প্রচার***
প্রধান খবর
করোনায় কারণে যে সংকট সৃষ্টি হয়েছে, একসাথে মোকাবেলা করতে হবে -শেখ হাসিনা। BOBPL সভাপতি আলহাজ্ব শেখ মোঃ ফজলুল হক করোনা থেকে নিজে বাচুন অন্যকে বাচাতে এগিয়ে আসুন। রাসুলুল্লাহ সাঃ,র জীবনি নিয়ে সংক্ষিপ্ত কিছু প্রশ্ন উত্তর। পবিত্র আশুরা সংক্ষিপ্ত বিবরণ আলহাজ্ব শেখ মোঃ ফজলুল হক,। বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। ১৯২০-১৯৭৫-১৫ আগষ্ট পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু,র কৃতিত্ব। বঙ্গবন্ধুর জুলিও কুরি পুরস্কার বঙ্গবন্ধু ঘোষিত বাঙালীর মুক্তির সনদ-৬ দফা ভাষা আন্দোলন বঙ্গবন্ধু। ২১-ফেব্রুয়ারী ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ ভুমিকা। টুঙ্গিপাড়ার মুজিব কি ভাবে বঙ্গবন্ধু এবং জাতির পিতা হলেন জানুন- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পনায় শতভাগ বিদ্যুৎ।

সেদিন মেহেদীর রং মুছার আগেই নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছিল সুলতানা কামাল কে।

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২০
  • ৪৪৫ বার পড়া হয়েছে

সুলতানা কামালকে শেষ দেখাও দেখতে পায়নি তার পরিবার

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গেই ঘাতকদের হাতে নিহত হন তার বড় পুত্রবধূ সুলতানা কামাল। বিয়ের মাত্র এক মাসের মাথায় মেহেদির রঙ মুছে যাওয়ার আগেই স্বামী শেখ কামাল, শ্বশুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শাশুড়ি শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ অন্যান্য পরিজনের সঙ্গে নিহত হন তিনি।

ঐতিহাসিক ৩২ নম্বরের বাড়ির দোতলার ঘাতকের বুলেটের আঘাতে রক্তাক্ত অবস্থায় সুলতানা কামালের নিথর দেহটি পড়েছিল অন্য সবার মাঝে। তখনও তার দু’হাতে শোভা পাচ্ছিল সদ্য বিয়ের মেহেদির আলপনা। রক্তের রঙ আর মেহেদির রঙের মাখামাখি হয়ে একাকার হয়ে গিয়েছিল।

১৫ আগস্ট ভোরে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটলেও সুলতানা কামালের পরিবার এ খবর প্রথম পান সকালে রেডিওর মাধ্যমে। প্রিয় সন্তান, প্রিয় বোনের মৃতদেহও দেখতে পাননি তার স্নেহময়ী মা-বাবা এবং অন্য ভাই-বোনরা।
সুলতানা কামালের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শহুরে বনেদী পরিবারের সন্তান সুলতানা কামালের পুরো নাম সুলতানা আহমেদ খুকি। বিয়ের পর হয়ে যান সুলতানা কামাল।

নয় ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন বোনদের সবার ছোট এবং ভাই-বোনদের তালিকায় অষ্টম। বাবা দবির উদ্দিন আহমেদ ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী। মা জেবুন্নেছা বেগম ছিলেন গৃহিণী।

বকশিবাজারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোয়ার্টারে ১৯৫২ সালের ১০ ডিসেম্বর জন্ম নেন সুলতানা কামাল। ১৯৭৫ সালের ১৪ জুলাই শেখ কামালের সঙ্গে তার বিয়ে হয়।
বৃহস্পতিবার রাতে সুলতানা কামালের শাহজাহানপুরের পৈতৃক বাড়িতে বসে তার ছোট ভাই গোলাম আহমেদের সঙ্গে কথা হয়। তিনি জানান, সবার ছোট হওয়ায় তাকে বেশি আদর করতেন বড় বোন সুলতানা। খেলতে যাওয়ার সময় তাকে সঙ্গে নিয়ে যেতেন। এমনকি বঙ্গবন্ধু যেদিন তাকে প্রথম দেখেন সেদিনও গণভবনে ছোট ভাইকে সঙ্গে করে নিয়ে যান সুলতানা আহমেদ খুকি।

আহমেদ জানান, ১৫ আগস্ট সকালে তার চতুর্থ ভাই ফারুক মোহাম্মদ ইকবাল বাসার বাইরে গেলে রেডিওতে শুনতে পান বঙ্গবন্ধুকে মেরে ফেলা হয়েছে। তিনি দ্রুত বাসায় ফিরে ঘটনাটি জানান। এরপর বাসাতেও সবাই রেডিওতে এ খবর শুনতে পান। কিন্তু আসলে কি হয়েছে তা জানতে জানতে সকাল দশটা বেজে যায়। তার বাবা দবিরউদ্দিন নিজস্ব নেটওয়ার্কে খবর নিয়ে জানতে পারেন বঙ্গবন্ধুসহ বাসার সবাইকে মেরে ফেলা হয়েছে। এর মধ্যেই বাসায় খবর আসে ঢাকা মেডিকেলে নিহতদের মৃতদেহ রাখা হয়েছে। মেয়েকে শেষবারের মতো দেখার আশায় সেখানে ছুটে যান তাদের মা।

কিন্তু ঢাকা মেডিকেলে গিয়ে শুধু আবদুর রব সেরনিয়াবাত ও শেখ ফজলুল হক মনির পরিবারের মৃতদেহগুলো দেখতে পান তিনি। একটি নিশ্চিত খবরের আশায় পুরো পরিবারের সারাদিন কেটে যায় কিন্তু কেউ তাদের নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি। পরদিন বঙ্গবন্ধুর বাসার কাজের লোক আবদুর রহমান রমা তাদের বাসায় গিয়ে হত্যাকাণ্ডের সবিস্তার বর্ণনা দেন। বঙ্গবন্ধু ছাড়া তার পরিবারের সদস্যদের বনানীতে দাফনের খবর শুনে কয়েকদিন পর সুলতানা কামালের পরিবার বনানীতে গিয়ে কবর জিয়ারত করেন।

ছোটবেলা থেকে বিভিন্ন খেলাধুলায় পারদর্শী পরিবারের সবার আদরের খুকি স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় সব খেলাতেই জিতে নিতেন প্রথম পুরস্কার। তিনি মুসলিম গার্লস স্কুল, ইডেন কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রীই শুধু ছিলেন না, ছিলেন সবার প্রিয় অ্যাথলেট। তিনি একে একে জিতে নেন স্কুল ও কলেজের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারসহ ইডেন কলেজের শ্রেষ্ঠ অ্যাথলেট পুরস্কার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিকেট ব্লু পুরস্কার, ব্যাডমিন্টন পুরস্কার এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা অ্যাথলেটের পুরস্কারও তিনি ঘরে তুলে নেন।

এছাড়া ক্রীড়াক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য সুলতানা কামালকে একুশে পদক, স্বাধীনতা পদক ও ক্রীড়া লেখক সমিতির পুরস্কারেও ভূষিত করা হয়। এসব পুরস্কার তিনি থরে থরে সাজিয়ে রেখেছিলেন শ্বশুরবাড়ি ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক সেই বাড়িটির দোতলার বিশেষ একটি কক্ষে। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবসহ বাসায় অবস্থানরত পরিবারের সবাইকে হত্যার পর সুলতানা কামালের অর্জনগুলোকেও ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় ঘাতকরা। ক্রীড়াক্ষেত্রে ব্যক্তিগত নৈপুণ্য ও অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তার নামে ধানমণ্ডিতে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ‘সুলতানা কামাল মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স।

এছাড়া বকশিবাজারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোয়ার্টারে তারা থাকতেন, সেখানেও গড়ে তোলা হয়েছে ‘সুলতানা কামাল স্মৃতি কমপ্লেক্স।’
আহমেদ জানান, তাদের বোন ও বোনজামাই না থাকলেও প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্গে আত্মীয়তার সম্পর্ক অটুট রেখেছেন। তিনি নিয়মিত খোঁজখবর নেন এবং যে কোনো পারিবারিক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানান। একইভাবে তারাও তাদের পারিবারিক অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রণ জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। দু’পরিবারের মধ্যে যাতায়াত ও যোগাযোগ অব্যাহত আছে বলে উল্লেখ করেন সুলতানা কামালের ভাই।

আজ সেই পরিবারটির মাঝ থেকে উঠে আসা শহিদ সুলতানা কামালের ছোট ভাই গোলাম মোস্তফা খোকনের মেয়ে নেহেরীন মোস্তফা দিশি ঢাকা-৫ এর উপ-নির্বাচনে প্রার্থী হতে যাচ্ছেন।ফুপুর লাসের নিষ্পাপ মুখখানি তার পরিবারের কেউ শেষ বারও দেখতে পায়নি যে বেদনা গুলো অনেক গভীর কষ্টের পীড়া দেয় ক্ষনে ক্ষনেই নেহেরীন মোস্তফা দিশির মনের কোনায়।যদিও সুলতানা কামালের পরিবার বরাবরই রাজনীতি বিমুখ তবুও, সেই বেদনার জায়গা থেকেই সৃষ্টি হওয়া রাজনৈতিক ইচ্ছে টা হয়তো আমরা খুজে পাবো সংসদের কোনো একটি মাইক্রোফোনে।

সুত্র সংগ্রহ, আলহাজ্ব শেখ মোঃ ফজলুল হক সভাপতি বাংলাদেশ অনলাইন বঙ্গবন্ধু পরিষদ লীগ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, সদস্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক উপকমিটি।

ভাল লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর
© All rights reserved 2020 bobplonlinenews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD