1. bd439364@gmail.com : BD FARIDPUR 24 : BD FARIDPUR 24
বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:১৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
***পরীক্ষামূলক সম্প্রচার***
প্রধান খবর
করোনায় কারণে যে সংকট সৃষ্টি হয়েছে, একসাথে মোকাবেলা করতে হবে -শেখ হাসিনা। BOBPL সভাপতি আলহাজ্ব শেখ মোঃ ফজলুল হক করোনা থেকে নিজে বাচুন অন্যকে বাচাতে এগিয়ে আসুন। রাসুলুল্লাহ সাঃ,র জীবনি নিয়ে সংক্ষিপ্ত কিছু প্রশ্ন উত্তর। পবিত্র আশুরা সংক্ষিপ্ত বিবরণ আলহাজ্ব শেখ মোঃ ফজলুল হক,। বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। ১৯২০-১৯৭৫-১৫ আগষ্ট পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু,র কৃতিত্ব। বঙ্গবন্ধুর জুলিও কুরি পুরস্কার বঙ্গবন্ধু ঘোষিত বাঙালীর মুক্তির সনদ-৬ দফা ভাষা আন্দোলন বঙ্গবন্ধু। ২১-ফেব্রুয়ারী ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ ভুমিকা। টুঙ্গিপাড়ার মুজিব কি ভাবে বঙ্গবন্ধু এবং জাতির পিতা হলেন জানুন- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পনায় শতভাগ বিদ্যুৎ।

ফরিদপুর জেলা পুজা উদযাপন কমিটি ঘোষণা হলেও কিছু স্বার্থনিশি মহলের কারণেে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।

  • Update Time : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২০
  • ৫৪ বার পড়া হয়েছে

ফরিদপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষনা হলেও স্বার্থান্বেষী মহলের কারনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।

এস এম সাইফুদ্দিন সালেহী
বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা বিভাগ

: বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শ্রী মিলন কান্তি দত্ত ও সাধারণ সম্পাদক শ্রী নির্মল কুমার চ্যাটার্জী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ২৬শে জুলাই ২০২০ তারিখে ফরিদপুর জেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ২ (দুই) বছরের জন্য ৮১ (একাশি) সদস্য বিশিষ্ট একটি কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়। ড. যশোদা জীবন দেবনাথ (সিআইপি) কে সভাপতিএবং অরুন কুমার মন্ডল কে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু তার পরেও বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন বিহীন, সুকেশ সাহাকে আহবায়ক করে ৪১ সদস্য বিশিষ্ট আরো একটি কমিটি প্রকাশ করা হয়েছে।

সম্প্রতি এই কমিটির সদস্যদের তালিকা বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত হলে ফরিদপুর জেলা হিন্দু সম্প্রদায়ের ভিতরে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এই কমিটির ব্যাপারে হিন্দু সম্প্রদায়ের সাথে কথা হলে তারা জানান, বাংলাদেশে পূজা উদ্যাপন পরিষদ, কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদনকৃত যে কমিটি প্রকাশ করা হয়েছে, ঐ কমিটির বাইরে অন্য কোন কমিটি থাকার নিয়ম নেই। কিন্তু ক্ষমতালোভী সুকেশ সাহা নিজ ক্ষমতাবলেই অনুমোদনহীন ভূয়া কমিটি প্রকাশ করেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জেলার বিভিন্ন পূজা মন্ডবের হিন্দু সম্প্রদায়ে ধর্মপ্রাণ ভক্তবৃন্দরা জানালেন, ফরিদপুর জেলায় কেন্দ্রীয় ভিত্তিক কোন পূজা উদযাপন পরিষদ কমিটি দীর্ঘ ১৮ বছর যাবত স্থায়ী কমিটি ও গঠনন্ত্রের তোয়াক্কা না করে সুকেশ সাহার নিজ ক্ষমতা বলে নিজেকে সেক্রেটারি পদ ঘোষনা করে বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম করেছে। এই সুকেশ সাহা জোর পূর্বক নিজেকে ক্ষমতাবান ব্যাক্তি মনে করে সব হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর মানসিক নির্যাতন করেছে। তার বিরুদ্ধে

কোন ব্যাক্তি কথা বলতে না পারায় নির্বিগ্নে তার অন্যায় অত্যাচার গুলো জোর পূর্বক চালিয়ে গিয়েছে। এমনকি ফরিদপুর জেলার বিশিষ্ট আইনজীবি নারান বাবু ও তার হাত থেকে নিস্তার পায়নি। তার অত্যাচার এতটাই বেরে গিয়েছিল যে ফরিদপুর জেলার হিন্দু সম্প্রদায়ের ভক্তবৃন্দ একমাত্র ভগবানের কাছে বলা ছাড়া আর কোন উপায় ছিলনা।
তারা আরও বলেন, সদ্য গ্রেপ্তারকৃত সুমন সাহা ও সাবেক এলজিআরডি মন্ত্রির ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ এর এপিএস এ.এইচ.এম. ফুয়াদকে পুঁজি করে বিভিন্ন অপকর্মের অন্যতম সহযোগী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করায় যে কোন অপরাধ মূলক কাজ করতে তিনি দ্বিধা বোধ করেননি।

উল্লেখ থাকে যে সুমন সাহার সাথে প্রায় সময় ভারতের সফর সঙ্গী হিসেবে সুকেশ সাহার যাতায়াত ছিল। আর আস্তে আস্তে ক্ষমতাসীন দলের বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের আস্থাভাজন হয়ে পরায় দিনের পর দিন শুধু বেরেই চলে তার নির্যাতন অত্যাচার এই হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর। এমনকি সকল সরকারি দলের ছত্রছায়ায় ফরিদপুর শ্রী অঙ্গনকে নিজের পৈত্রিক সম্পত্তি হিসাবে ব্যাবহার করত, তার ইচ্ছায় মন্দিরের সাধুসহ সকল ভাড়াটিয়াদের সাথে কমিটির কোন সিদ্ধান্ত ছাড়াই তার একক সিন্ধান্তে পরিচালিত হত। কখনো তার বিরুদ্ধে মুখ খুললে নেমে আসত তার উপরে নির্যাতনের কালো ছায়া, রাস্তা ঘাটে বিভিন্ন সময় লাঞ্চনা গঞ্জনাসহ অপমান হতে হতো সবাইকে।

হিন্দু ভক্তবৃন্দরা আরো জানান, ফরিদপুর জেলার পূজা উদযাপন পরিষদ কমিটির নিয়ম অনুযায়ী পর পর ২ বার এর বেশি সেক্রেটারির পদে থাকতে পারবে না, কিন্তু এই ক্ষমতালোভী সুকেশ সাহা হিন্দু সম্প্রদায়ের পূজা কমিটির গঠন তন্ত্রের তোয়াক্কা না করে নিজের ক্ষমতার অপব্যাবহার করে কমিটির নিয়ম ভেঙ্গে জোর পূর্বক ১৮ বছর সেক্রেটারির পদ দখল করে ছিল। তার কোন ধরনের আয়ের উৎস না থাকলেও নিজের অপকর্ম করে হাতিয়ে নেওয়া টাকা দিয়ে নিজের পারিবারিক জীবন অতিবাহিত করে আসছে। ফরিদপুর জেলার হিন্দু সম্প্রদায়কে কলুষিত করার জন্য যে জঘন্য অপরাধ তিনি করে চলেছে তা সকলের কাছে এক ভয়ঙ্কর বিস্ময় এর সৃষ্টি হয়েছে।

এই ৪১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির ব্যাপারে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক শ্রী নির্মল কুমার চ্যাটার্জির সাথে এই প্রতিবিদকের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমরা ফরিদপুর জেলায় ড. যশোদা জীবন দেবনাথ (সিআইপি)কে সভাপতি ও অরুন কুমার মন্ডল কে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটির অনুমোদন দিয়েছি। এ ছাড়া এ জেলায় অন্য কোন কমিটি অনুমোদন দেইনি। সুকেশ সাহা কে আহবায়ক করে ব্যাক্তিকেন্দ্রীক যে কমিটি প্রকাশ করা হয়েছে তা বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, কেন্দ্রীয় কমিটির আওতাভুক্ত নয়। এই কমিটি বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ এর কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারবে না, এমনকি এই কমিটির দ্বারা কোন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে এর দায় ঐ কমিটিকেই বহন করতে হবে।

এদিকে নতুন কমিটি নিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ে সকল ধর্মপ্রাণ ভক্তবৃন্দদের মাঝে তুমুল প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। এই ভুয়া বা অনুমোদনহীন কমিটিকে বাদ দেওয়াসহ ক্ষমতালোভী সুকেশের দূর্নীতির বিষয়ে সঠিক তদন্ত পূর্বক আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও সহযোগিতা কামনা করছেন ফরিদপুর জেলার হিন্দু সম্প্রদায়। বর্তমান ফরিদপুরে কোন ধরনের ভুয়া বা অনুমোদনহীন কমিটি থাকতে পারবে না বলেও তারা হুশিয়ারি দেন।
সুকেশ সাহার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের বিষয়ে তার সাথে মুঠোফোনে কথা হলে, তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেন, এবং বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ এর পক্ষ থেকে অনুমোদিত কমিটি প্রকাশ করা হয়েছে , সেখানে যোগ্যবান ব্যাক্তি নেই দাবি করে নতুন ৪১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করে কেন্দ্রীয় কমিটির নিকট অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।

মহলের কারনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।

এস এম সাইফুদ্দিন সালেহী
বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা বিভাগ

: বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শ্রী মিলন কান্তি দত্ত ও সাধারণ সম্পাদক শ্রী নির্মল কুমার চ্যাটার্জী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ২৬শে জুলাই ২০২০ তারিখে ফরিদপুর জেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ২ (দুই) বছরের জন্য ৮১ (একাশি) সদস্য বিশিষ্ট একটি কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়। ড. যশোদা জীবন দেবনাথ (সিআইপি) কে সভাপতিএবং অরুন কুমার মন্ডল কে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু তার পরেও বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন বিহীন, সুকেশ সাহাকে আহবায়ক করে ৪১ সদস্য বিশিষ্ট আরো একটি কমিটি প্রকাশ করা হয়েছে।

সম্প্রতি এই কমিটির সদস্যদের তালিকা বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত হলে ফরিদপুর জেলা হিন্দু সম্প্রদায়ের ভিতরে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এই কমিটির ব্যাপারে হিন্দু সম্প্রদায়ের সাথে কথা হলে তারা জানান, বাংলাদেশে পূজা উদ্যাপন পরিষদ, কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদনকৃত যে কমিটি প্রকাশ করা হয়েছে, ঐ কমিটির বাইরে অন্য কোন কমিটি থাকার নিয়ম নেই। কিন্তু ক্ষমতালোভী সুকেশ সাহা নিজ ক্ষমতাবলেই অনুমোদনহীন ভূয়া কমিটি প্রকাশ করেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জেলার বিভিন্ন পূজা মন্ডবের হিন্দু সম্প্রদায়ে ধর্মপ্রাণ ভক্তবৃন্দরা জানালেন, ফরিদপুর জেলায় কেন্দ্রীয় ভিত্তিক কোন পূজা উদযাপন পরিষদ কমিটি দীর্ঘ ১৮ বছর যাবত স্থায়ী কমিটি ও গঠনন্ত্রের তোয়াক্কা না করে সুকেশ সাহার নিজ ক্ষমতা বলে নিজেকে সেক্রেটারি পদ ঘোষনা করে বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম করেছে। এই সুকেশ সাহা জোর পূর্বক নিজেকে ক্ষমতাবান ব্যাক্তি মনে করে সব হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর মানসিক নির্যাতন করেছে। তার বিরুদ্ধে

কোন ব্যাক্তি কথা বলতে না পারায় নির্বিগ্নে তার অন্যায় অত্যাচার গুলো জোর পূর্বক চালিয়ে গিয়েছে। এমনকি ফরিদপুর জেলার বিশিষ্ট আইনজীবি নারান বাবু ও তার হাত থেকে নিস্তার পায়নি। তার অত্যাচার এতটাই বেরে গিয়েছিল যে ফরিদপুর জেলার হিন্দু সম্প্রদায়ের ভক্তবৃন্দ একমাত্র ভগবানের কাছে বলা ছাড়া আর কোন উপায় ছিলনা।
তারা আরও বলেন, সদ্য গ্রেপ্তারকৃত সুমন সাহা ও সাবেক এলজিআরডি মন্ত্রির ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ এর এপিএস এ.এইচ.এম. ফুয়াদকে পুঁজি করে বিভিন্ন অপকর্মের অন্যতম সহযোগী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করায় যে কোন অপরাধ মূলক কাজ করতে তিনি দ্বিধা বোধ করেননি।

উল্লেখ থাকে যে সুমন সাহার সাথে প্রায় সময় ভারতের সফর সঙ্গী হিসেবে সুকেশ সাহার যাতায়াত ছিল। আর আস্তে আস্তে ক্ষমতাসীন দলের বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের আস্থাভাজন হয়ে পরায় দিনের পর দিন শুধু বেরেই চলে তার নির্যাতন অত্যাচার এই হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর। এমনকি সকল সরকারি দলের ছত্রছায়ায় ফরিদপুর শ্রী অঙ্গনকে নিজের পৈত্রিক সম্পত্তি হিসাবে ব্যাবহার করত, তার ইচ্ছায় মন্দিরের সাধুসহ সকল ভাড়াটিয়াদের সাথে কমিটির কোন সিদ্ধান্ত ছাড়াই তার একক সিন্ধান্তে পরিচালিত হত। কখনো তার বিরুদ্ধে মুখ খুললে নেমে আসত তার উপরে নির্যাতনের কালো ছায়া, রাস্তা ঘাটে বিভিন্ন সময় লাঞ্চনা গঞ্জনাসহ অপমান হতে হতো সবাইকে।

হিন্দু ভক্তবৃন্দরা আরো জানান, ফরিদপুর জেলার পূজা উদযাপন পরিষদ কমিটির নিয়ম অনুযায়ী পর পর ২ বার এর বেশি সেক্রেটারির পদে থাকতে পারবে না, কিন্তু এই ক্ষমতালোভী সুকেশ সাহা হিন্দু সম্প্রদায়ের পূজা কমিটির গঠন তন্ত্রের তোয়াক্কা না করে নিজের ক্ষমতার অপব্যাবহার করে কমিটির নিয়ম ভেঙ্গে জোর পূর্বক ১৮ বছর সেক্রেটারির পদ দখল করে ছিল। তার কোন ধরনের আয়ের উৎস না থাকলেও নিজের অপকর্ম করে হাতিয়ে নেওয়া টাকা দিয়ে নিজের পারিবারিক জীবন অতিবাহিত করে আসছে। ফরিদপুর জেলার হিন্দু সম্প্রদায়কে কলুষিত করার জন্য যে জঘন্য অপরাধ তিনি করে চলেছে তা সকলের কাছে এক ভয়ঙ্কর বিস্ময় এর সৃষ্টি হয়েছে।

এই ৪১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির ব্যাপারে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক শ্রী নির্মল কুমার চ্যাটার্জির সাথে এই প্রতিবিদকের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমরা ফরিদপুর জেলায় ড. যশোদা জীবন দেবনাথ (সিআইপি)কে সভাপতি ও অরুন কুমার মন্ডল কে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটির অনুমোদন দিয়েছি। এ ছাড়া এ জেলায় অন্য কোন কমিটি অনুমোদন দেইনি। সুকেশ সাহা কে আহবায়ক করে ব্যাক্তিকেন্দ্রীক যে কমিটি প্রকাশ করা হয়েছে তা বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, কেন্দ্রীয় কমিটির আওতাভুক্ত নয়। এই কমিটি বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ এর কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারবে না, এমনকি এই কমিটির দ্বারা কোন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে এর দায় ঐ কমিটিকেই বহন করতে হবে।

এদিকে নতুন কমিটি নিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ে সকল ধর্মপ্রাণ ভক্তবৃন্দদের মাঝে তুমুল প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। এই ভুয়া বা অনুমোদনহীন কমিটিকে বাদ দেওয়াসহ ক্ষমতালোভী সুকেশের দূর্নীতির বিষয়ে সঠিক তদন্ত পূর্বক আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও সহযোগিতা কামনা করছেন ফরিদপুর জেলার হিন্দু সম্প্রদায়। বর্তমান ফরিদপুরে কোন ধরনের ভুয়া বা অনুমোদনহীন কমিটি থাকতে পারবে না বলেও তারা হুশিয়ারি দেন।
সুকেশ সাহার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের বিষয়ে তার সাথে মুঠোফোনে কথা হলে, তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেন, এবং বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ এর পক্ষ থেকে অনুমোদিত কমিটি প্রকাশ করা হয়েছে , সেখানে যোগ্যবান ব্যাক্তি নেই দাবি করে নতুন ৪১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করে কেন্দ্রীয় কমিটির নিকট অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।

ভাল লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর
© All rights reserved 2020 bobplonlinenews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD