1. bd439364@gmail.com : BD FARIDPUR 24 : BD FARIDPUR 24
মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:২২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
***পরীক্ষামূলক সম্প্রচার***
প্রধান খবর
করোনায় কারণে যে সংকট সৃষ্টি হয়েছে, একসাথে মোকাবেলা করতে হবে -শেখ হাসিনা। BOBPL সভাপতি আলহাজ্ব শেখ মোঃ ফজলুল হক করোনা থেকে নিজে বাচুন অন্যকে বাচাতে এগিয়ে আসুন। রাসুলুল্লাহ সাঃ,র জীবনি নিয়ে সংক্ষিপ্ত কিছু প্রশ্ন উত্তর। পবিত্র আশুরা সংক্ষিপ্ত বিবরণ আলহাজ্ব শেখ মোঃ ফজলুল হক,। বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। ১৯২০-১৯৭৫-১৫ আগষ্ট পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু,র কৃতিত্ব। বঙ্গবন্ধুর জুলিও কুরি পুরস্কার বঙ্গবন্ধু ঘোষিত বাঙালীর মুক্তির সনদ-৬ দফা ভাষা আন্দোলন বঙ্গবন্ধু। ২১-ফেব্রুয়ারী ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ ভুমিকা। টুঙ্গিপাড়ার মুজিব কি ভাবে বঙ্গবন্ধু এবং জাতির পিতা হলেন জানুন- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পনায় শতভাগ বিদ্যুৎ।

২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলার মুল লক্ষ্য ছিল বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা কে হত্যা করা-

  • Update Time : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২০
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে

২১ আগস্ট ২০০৪ ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা ও হত্যাযজ্ঞ চালায় বিএনপি জোট সরকারের হওয়া ভবনের নিদর্শনায় হরকাতুল জিহাদের একদল জঙ্গি, যা ছিল ছয় বছর ধরে এই জঙ্গিগোষ্ঠীর হামলা ও শেখ হাসিনাকে হত্যার ধারাবাহিক চেষ্টার এক চূড়ান্ত রূপরেখা।

গ্রেনেড হামলার পর শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি গ্রেনেড হামলার পর শেখ হাসিনা। ফাইল ছবিএকই সঙ্গে দেশি-বিদেশি যোগাযোগ এবং সরকারের উদাসীনতা ও ক্ষেত্রবিশেষে সহযোগিতা বা পৃষ্ঠপোষকতায় একটি উগ্রপন্থী গোপন সংগঠন কতটা ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে, সেটারও একটা বড় উদাহরণ হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামী (হুজি-বি)।

১৯৯৯ সালের মার্চ থেকে ২০০৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ছয় বছরে এই জঙ্গিগোষ্ঠী দেশে ১৩টি বোমা ও গ্রেনেড হামলা চালায়। এতে ১০৬ জন নিহত হন। আহত হন ৭০০–র বেশি মানুষ। আওয়ামী লীগ ও সিপিবির সমাবেশ, উদীচী ও ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান, ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও ব্রিটিশ হাইকমিশনারের ওপর এসব হামলা হয়। এই সময়ের মধ্যে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনাকেই হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে অন্তত চার দফা।

কিন্ত তদকালীন বিএনপি ৪ দলীয় জোট সরকার এই জঙ্গিগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি, তাদের ছত্র ছায়ায় এ জঙ্গিগোষ্টি বেরে উঠে। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এসে ২১ আগস্ট মামলার নতুন করে তদন্তের উদ্যোগ নেয়। এরপর বেরিয়ে আসতে থাকে অনেক অজানা তথ্য।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর এক বছরের মধ্যে হুজি–বির প্রায় সব শীর্ষস্থানীয় নেতা ও গুরুত্বপূর্ণ জঙ্গি গ্রেপ্তার হন। শীর্ষ জঙ্গিনেতা মুফতি হান্নানসহ তিনজনের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। দীর্ঘদিন এই জঙ্গিগোষ্ঠীর কোনো তৎ​পরতা দৃশ্যমান নেই। তবে দেশে জঙ্গি হামলার ঝুঁকি শেষ হয়ে যায়নি। আইএস ও আল-কায়েদার মতো আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের মতাদর্শ অনুসরণকারী একাধিক জঙ্গিগোষ্ঠী নতুন মাত্রার ঝুঁকি তৈরি করেছে। ২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানে হোলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার মধ্য দিয়ে সেটার ভয়ংকর রূপ দেখা গেছে। সম্প্রতি ঢাকায় কয়েকটি পুলিশ বক্সের কাছে বোমা পেতে রেখে এবং পুলিশের একটি গাড়িতে সময়নিয়ন্ত্রিত বোমা ফাটিয়ে আইএস মতাদর্শী জঙ্গিরা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। দেশে এখন আলোচনায় রয়েছে প্রধানত তিনটি জঙ্গিগোষ্ঠী—জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি), আইএসপন্থী নব্য জেএমবি ও আল-কায়েদাপন্থী আনসার আল ইসলাম। হোলি আর্টিজানের হামলা বাদ দিলে এই তিনটি গোষ্ঠীর কেউই হুজি-বির মতো এত বেশিসংখ্যক বড় হামলা চালাতে পারেনি।